১. শাফাআত কয় প্রকার?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) $2$ প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পরকালীন জীবনে শাফাআত প্রধানত $2$ ভাগে বিভক্ত—শাফাআতে কুবরা (মহৎ সুপারিশ) এবং শাফাআতে সুগরা (ক্ষুদ্র সুপারিশ)।
২. শাফায়াত কত প্রকার?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) $2$ প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শাফায়াত প্রধানত $2$ প্রকার—শাফায়াতে কুবরা (বড় সুপারিশ) ও শাফায়াতে সুগরা (ছোট সুপারিশ)।
৩. কয় বিষয়ে শাফায়াতে সুগরা করা হবে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) $3$ টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন প্রধানত $3$ টি ক্ষেত্রে বা উদ্দেশ্যে নবী-রাসূল ও পুণ্যবান বান্দাদের মাধ্যমে শাফায়াতে সুগরা করা হবে।
৪. মহানবী (স.) শাফায়াত করবেন কাদের জন্য?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তাঁর উম্মতদের
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হাশরের কঠিন দিনে মহানবী (স.) বিশেষভাবে তাঁর পাপী ও গুনাহগার উম্মতদের ক্ষমার জন্য আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবেন।
৫. শরিয়তের পরিভাষায় পাপী ব্যক্তিদের পাপ মার্জনা করে দেওয়া এবং পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর নিকট সুপারিশ করাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) শাফায়াত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় মানুষের কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহর নিকট নবী-রাসূল ও নেককার বান্দাদের সুপারিশ করাকে শাফায়াত বলে।
৬. আখিরাতে বিভিন্ন সময় শাফায়াত করবেন কারা?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) মহানবী (স.), শহীদ ও আলিম
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন রাসুলুল্লাহ (স.) ছাড়াও আল্লাহর অনুমতিতে আম্বিয়া আলাইহিস সালাম, শহীদ, আলিম এবং হাফিজগণ শাফায়াত করার সুযোগ পাবেন।
৭. মহানবী (স.)-এর সুপারিশক্রমে আল্লাহ তাআলা হিসাব গ্রহণ শুরু করবেন। এটাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) শাফায়াতে কুবরা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হাশরের ময়দানে অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ মানুষের হিসাব-নিকাশ দ্রুত শুরু করার জন্য রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সর্বপ্রথম সুমহান সুপারিশকে শাফায়াতে কুবরা বলে।
৮. মুহাম্মদ (স.) বেহেশতবাসীদের জন্য শাফায়াত করবেন কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জান্নাতি মুমিন বান্দাদের নেক আমলের পুরস্কার স্বরূপ জান্নাতে তাঁদের স্তর বা আত্মিক মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য মহানবী (স.) শাফায়াত করবেন।
৯. কার শাফায়াত ছাড়া আমাদের জান্নাত লাভ সম্ভব নয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হাশরের শেষ বিচারের দিনে একমাত্র শাফায়াতের সর্বোচ্চ অধিকারী বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুপারিশ ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করা সম্ভব নয়।
১০. প্রত্যেকের জন্য জান্নাত ও জাহান্নাম নির্ধারণ করবেন কিসের মাধ্যমে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) আমল অনুযায়ী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ হাশরের ময়দানে প্রত্যেক মানুষের দুনিয়ার কৃতকর্মের আমলনামা পরিমাপ করে জান্নাত বা জাহান্নাম নির্ধারণ করবেন।
১১. মহানবী (স.)-এর শাফায়াত পাওয়ার জন্য আমাদের কী করা উচিত?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) রাসূলের (স.) আদর্শ অনুযায়ী চলা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আখেরাতে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর পরম শাফায়াত ও সুপারিশ লাভ করতে হলে দুনিয়াতে তাঁর সুন্নাহ ও সুমহান আদর্শ অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে।
১২. "আমাকে শাফায়াত করার অধিকার দেওয়া হয়েছে।" অনূদিত হাদিসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়টি কী?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) গুনাহগারদের কাণ্ডারি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: এই হাদিসের মূল অর্থ হলো রাসুলুল্লাহ (স.) হাশরের ময়দানে পাপিষ্ঠ ও গুনাহগার উম্মতদের পরম ক্ষমা ও মুক্তির একমাত্র আশার আলো বা কাণ্ডারি।
১৩. শাফাআত শব্দের অর্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) সুপারিশ করা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শাফাআত একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো সুপারিশ করা, অনুকম্পা করা বা মধ্যস্থতা করা।
১৪. কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট নবি-রাসুলগণের সুপারিশ করাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) শাফাআত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় পরকালে মানবজাতির কল্যাণ ও ক্ষমার জন্য আল্লাহর নিকট নবী-রাসূলগণের সুপারিশ করাকে শাফাআত বলে।
১৫. কিয়ামতের দিন কয়টি কারণে শাফাআত করা হবে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) $2$ টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন মূলত $2$ টি প্রধান উদ্দেশ্যে (হিসাব শুরু করা এবং পাপীদের মুক্তি বা মর্যাদা বৃদ্ধি) শাফাআত করা হবে।
১৬. কিয়ামতের দিন মানুষের কাজকর্মের হিসাব নেখেন কে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মহান আল্লাহ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে উপস্থিত সমস্ত মানুষের দুনিয়াবি ভালো-মন্দ কাজকর্মের চূড়ান্ত হিসাব-নিকাশ একমাত্র মহান আল্লাহ গ্রহণ করবেন।
১৭. কিয়ামতের মাঠে পুণ্যবানদের জন্য শাফাআত করা হবে কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পুণ্যবান মুমিন বান্দাগণ যাতে জান্নাতে আরও উচ্চতর স্তর ও সম্মান লাভ করতে পারেন, সেই মর্যাদা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে শাফাআত করা হবে।
১৮. শাফাআতে কুবরা কখন হবে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) কিয়ামতে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে অসহ্য গরমে অতিষ্ঠ হয়ে মানুষ যখন চরম বিপাকে পড়বে, তখন বিচার কাজ শুরুর জন্য কিয়ামতে এই শাফাআত হবে।
১৯. শাফাআতে কুবরা বলতে বোঝানো হয়েছে—
✓ সঠিক উত্তর: (গ) হিসাব শুরু করার জন্য শাফাআত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হাশরের মাঠে দীর্ঘকাল অপেক্ষা করার পর মানবজাতির বিচার কার্য তথা হিসাব-নিকাশ শুরু করার জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) যে বিশেষ সুপারিশ করবেন, তাকেই শাফাআতে কুবরা বলে।
২০. হাশরে কিছু মুমিনের জন্যও মহানবী (স.)-এর শাফায়াতের প্রয়োজন হবে। এর কারণ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যেসব পুণ্যবান মুমিন বান্দার কোনো গুনাহ নেই, জান্নাতে তাঁদের সম্মান ও মর্যাদা আরও উচ্চ স্তরে উন্নীত করার জন্য শাফায়াতের প্রয়োজন হবে।
২১. "পৃথিবীতে যত পাথর ও ইট আছে, আমি তার চেয়েও বেশি লোকের জন্য কিয়ামতের দিন শাফায়াত করব।"—এর মর্মার্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর অধিকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: এই বাণীর মাধ্যমে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর কিয়ামতের দিন শাফায়াত বা সুপারিশ করার ব্যাপক ও সুবিশাল অধিকারের বিষয়টি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২২. শাফাআতে কুবরার অপর নাম কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) শাফাআতে উজমা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শাফাআতে কুবরা বা মহত্তম শাফাআতের অপর নাম হলো শাফাআতে উজমা।
২৩. শাফাআত-ই-উজমা অর্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) সর্বোচ্চ অনুরোধ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শাফাআত-ই-উজমা শব্দের অর্থ হলো সবচেয়ে বড় বা সর্বোচ্চ সুপারিশ ও অনুরোধ।
২৪. শাফাআতে উজমার অধিকারী কে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) হযরত মুহাম্মদ (স.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন নবি-রাসুলদের মধ্যে একমাত্র হযরত মুহাম্মদ (স.) শাফাআতে উজমা বা মহত্তম সুপারিশের অধিকারী হবেন।
২৫. কিয়ামতের দিন পাপীদের ক্ষমা ও পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য শাফাআত করা হবে। এটি কোন ধরনের শাফাআত?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) শাফাআতে ছুগরা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামতের দিন পাপীদের ক্ষমা এবং পুণ্যবানদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য যে ছোট শাফাআত করা হবে, তাকে শাফাআতে ছুগরা বলে।