১. প্রধান বাক-প্রত্যঙ্গগুলো হলো-
i. কণ্ঠ
ii. মুখ
iii. নাসিকা
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i, ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণের জন্য কণ্ঠ, মুখ এবং নাসিকা—এসবই প্রধান বাক-প্রত্যঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
২. ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা কতটি?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) $39$ টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা $39$ টি।
৩. নিচের কোন বর্ণগুলো কণ্ঠ্যধ্বনির উদাহরণ?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) অ, আ, ক, খ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কণ্ঠ থেকে উচ্চারিত হয় বলে অ, আ, ক, খ, গ, ঘ, ঙ এবং হ বর্ণগুলোকে কণ্ঠ্যধ্বনি বলা হয়।
৪. মুখবিবরের কোথাও বাধা না পেয়ে কোন ধ্বনি উচ্চারিত হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবরের কোথাও বাধা পায় না বলে এগুলো অবিচ্ছিন্নভাবে উচ্চারিত হয়।
৫. কোনগুলো স্পর্শধ্বনি?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ক থেকে ম পর্যন্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ক থেকে ম পর্যন্ত পঁচিশটি বর্ণকে স্পর্শধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করে।
৬. নাসিক্যধ্বনি কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ম
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস নাক দিয়ে বের হয়, তাদের নাসিক্যধ্বনি বলে। 'ম' একটি নাসিক্যধ্বনি।
৭. ভাষার মূল ভিত্তি বা ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মানুষের মুখ থেকে নির্গত অর্থবোধক আওয়াজ বা ধ্বনিই হলো ভাষার মূল ভিত্তি ও ক্ষুদ্রতম একক।
৮. বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের সংখ্যা কয়টি?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) $11$ টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় স্বরবর্ণের মোট সংখ্যা $11$ টি (অ থেকে ঔ পর্যন্ত)।
৯. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলা হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) কার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় স্বরবর্ণের যে সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়, তাকে 'কার' বলে।
১০. ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলা হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ফলা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনবর্ণ যখন অন্য বর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন তার সংক্ষিপ্ত রূপকে 'ফলা' বলে।
১১. কোন ধ্বনি উচ্চারণে চোয়াল বেশি ফাঁক হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) 'অ' ধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'অ' ধ্বনি উচ্চারণের সময় মুখবিবর বা চোয়াল সবচেয়ে বেশি প্রসারিত বা ফাঁক হয়।
১২. ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ফুসফুস
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মানুষ ফুসফুস থেকে বাতাস বের করার মাধ্যমে ধ্বনি উৎপন্ন করে, তাই এটিই ধ্বনি উৎপাদনের মূল উৎস।
১৩. ধ্বনি প্রধানত কত প্রকার?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দুই প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ধ্বনি প্রধানত দুই প্রকার: স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।
১৪. ধ্বনির প্রতীক বা লিখিত রূপকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) বর্ণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করা হয়, তাকে বর্ণ বলে।
১৫. বর্ণ প্রধানত কত প্রকার?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দুই প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বর্ণ প্রধানত দুই প্রকার: স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ।
১৬. উচ্চারণে সময়ের তারতম্য অনুযায়ী স্বরধ্বনি কত প্রকার?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দুই প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সময়ের তারতম্য বা হ্রস্ব ও দীর্ঘ উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনি দুই প্রকার: হ্রস্বস্বর ও দীর্ঘস্বর।
১৭. কোন গুচ্ছটি হ্রস্ব স্বরধ্বনি?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) অ, ই, উ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'অ', 'ই', 'উ' ধ্বনিগুলো উচ্চারণে কম সময় লাগে বলে এগুলো হ্রস্ব স্বরধ্বনি।
১৮. 'অ', 'আ'-স্বরধ্বনির উচ্চারণ স্থান কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কণ্ঠ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'অ' এবং 'আ' ধ্বনি উচ্চারণের সময় সরাসরি কণ্ঠ থেকে বাতাস বের হয়, তাই এগুলো কণ্ঠ্যধ্বনি।
১৯. উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী 'ই', 'ঈ' ধ্বনির নাম কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) তালব্যধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'ই' এবং 'ঈ' উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালু স্পর্শ করে বা তালুর কাছে আসে, তাই এগুলো তালব্যধ্বনি।
২০. উচ্চারণ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি প্রধানত কত ভাগে বিভক্ত?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তিন ভাগে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উচ্চারণ স্থান ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনি সাধারণত স্পর্শ, অন্তস্থ ও উষ্ম—এই তিন ভাগে বিভক্ত।
২১. কণ্ঠ, তালু, মূর্ধা, দন্ত, ওষ্ঠ স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়-
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) স্পর্শধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা মুখের বিভিন্ন স্থান স্পর্শ করে, তাকে স্পর্শধ্বনি বলে।
২২. স্পর্শধ্বনি কয় শ্রেণিতে বিভক্ত?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) পাঁচ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: স্পর্শধ্বনিগুলো পাঁচটি বর্গে বিভক্ত (ক, চ, ট, ত, প বর্গ)।
২৩. কোন ধ্বনিকে নাদধ্বনি বলা হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ঘোষধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঘোষধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে এবং গম্ভীর নাদ সৃষ্টি হয়, তাই একে নাদধ্বনি বলা হয়।
২৪. বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনি উচ্চারণে বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে বলে এগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) মহাপ্রাণ ধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ ধ্বনিগুলো উচ্চারণে বাতাসের চাপ বেশি লাগে, তাই এগুলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
২৫. কোন বর্ণের উচ্চারণে জিহ্বার দুই পাশ দিয়ে বায়ু বের হয়ে যায়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ল-বর্ণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'ল' উচ্চারণের সময় জিহ্বা অগ্রভাগ দন্তমূল স্পর্শ করলেও দুই পাশ দিয়ে বাতাস বের হয়, তাই এটি পার্শ্বিক ধ্বনি।