১. নতুন কোনো নবী-রাসূল আগমনের প্রয়োজন নেই। কারণ—
i. শেষ নবীর শিক্ষা পরিপূর্ণ ছিল
ii. শেষ নবী সমগ্র মানবজাতির নবী ছিলেন
iii. শেষ নবীর শিক্ষা অবিকৃত রয়েছে
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i, ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ, সর্বজনীন এবং কিয়ামত পর্যন্ত সম্পূর্ণ অবিকৃত ও সংরক্ষিত থাকায় নতুন কোনো নবী আসার প্রয়োজন নেই।
২. খতমে নবুয়ত অর্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নবুয়তের পরিসমাপ্তি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: খতমে নবুয়ত কথাটির অর্থ হলো নবী আগমনের ধারা বা নবুয়তের পরিসমাপ্তি।
৩. এক নবীর পর অপর নবী আগমনের কারণ কয়টি?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) $3$ টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পূর্ববর্তী নবীর শিক্ষা বিলুপ্ত বা বিকৃত হলে কিংবা তা অপূর্ণ থাকলে নতুন নবী আসতেন, যার প্রধান কারণ $3$ টি।
৪. কার পর পৃথিবীতে আর কোনো নবী আসবেন না?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) হযরত মুহাম্মদ (স.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হযরত মুহাম্মদ (স.) হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং শেষ নবী, তাঁর পর আর কোনো নবী আসবেন না।
৫. খতম শব্দের অর্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) শেষ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আরবি 'খতম' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো শেষ, সমাপ্তি বা সিলমোহর করা।
৬. খাতামুন্নাবিয়্যীন কে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) হযরত মুহাম্মদ (স.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: খাতামুন্নাবিয়্যীন অর্থ সর্বশেষ নবী, যা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সুমহান উপাধি।
৭. কার শিক্ষা ও হিদায়াত আজও বিদ্যমান?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর আনীত পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষা আজও পৃথিবীতে সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় বিদ্যমান।
৮. 'খতম' শব্দের অর্থ কী?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) শেষ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'খতম' একটি আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ হলো শেষ, সমাপ্তি বা অবসান।
৯. নবীগণের দায়িত্বকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নবুয়ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবজাতির হিদায়াতের জন্য প্রেরিত নবীগণের পবিত্র দায়িত্ব ও কর্মকে নবুয়ত বলা হয়।
১০. খতমে নবুয়ত বলতে কী বোঝায়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) নবুয়তের পরিসমাপ্তি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যুগে যুগে নবী-রাসূল আগমনের যে সুদীর্ঘ ধারাবাহিকতা ছিল, তার চূড়ান্ত পরিসমাপ্তিকেই খতমে নবুয়ত বলা হয়।
১১. কোন নবীর মাধ্যমে নবুয়তের ধারা শুরু হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) হযরত আদম (আ.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পৃথিবীর আদি মানব হযরত আদম (আ.)-এর পৃথিবীতে সুমহান আগমনের মাধ্যমেই নবুয়তের ক্রমধারা শুরু হয়েছিল।
১২. কোন নবীর মাধ্যমে নবুয়তের ধারা শেষ হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মুহাম্মদ (স.)-এর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর পবিত্র আগমনের মাধ্যমেই মহান আল্লাহ নবুয়তের ধারা চিরতরে শেষ করেছেন।
১৩. খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করার বিধান কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ফরজ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ইসলামের আকাইদের একটি অন্যতম মৌলিক বিষয় হওয়ায় খতমে নবুয়তের ওপর দৃঢ় বিশ্বাস স্থাপন করা প্রত্যেকের জন্য ফরজ।
১৪. খতমে নবুয়তে বিশ্বাস করা অপরিহার্য কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ঈমানদার হওয়ার জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: খতমে নবুয়ত ইসলামের মূল বিশ্বাসের অংশ, তাই খাঁটি ঈমানদার হওয়ার জন্য এই বিষয়ের প্রতি বিশ্বাস রাখা অপরিহার্য।
১৫. সর্বশেষ নবী ও রাসূল কে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) হযরত মুহাম্মদ (স.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহান আল্লাহ যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠালেও সর্বশেষে ও পরিশেষে পাঠিয়েছেন আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে।
১৬. 'আমিই শেষ নবী। আমার পর আর কোনো নবী আসবেন না'—উক্তিটি কোন হাদিস গ্রন্থের?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) জামি তিরমিজি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বিশ্বনবী (স.)-এর এই সুনির্দিষ্ট ও অকাট্য বাণীটি পবিত্র হাদিস গ্রন্থ জামি তিরমিজিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
১৭. সাকিব মনে করে, কিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবী-রাসূল আসবেন না। সে কোনটিতে বিশ্বাস করে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) খতমে নবুয়তে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে আর কোনো নতুন নবী বা রাসূলের আগমন ঘটবে না—এই দৃঢ় ধারণাই হলো খতমে নবুয়ত।
১৮. কার মাধ্যমে ইসলামের পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা দেওয়া হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর মাধ্যমেই মহান আল্লাহ দ্বীন ইসলামকে মানবজাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ করে দিয়েছেন।
১৯. কাদিয়ানী সম্প্রদায় গোলাম আহমদকে নবী বলে স্বীকার করে। তাদের এ বিশ্বাস কীসের পরিপন্থী?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) খতমে নবুয়তের
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে শেষ নবী না মেনে অন্য কাউকে নবী দাবি করা স্পষ্ট খতমে নবুয়ত বিশ্বাসের পরিপন্থী।
২০. পুরো দালানে একটি ইট লাগানো বাকি ছিল। ইট লাগাতেই সে দালান পরিপূর্ণ হয়ে গেল। নবুয়তও তেমনি একটা দালানের সদৃশ। সেই দালানের সর্বশেষ ইট কে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) হযরত মুহাম্মদ (স.)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: রাসুলুল্লাহ (স.) নিজে হাদিসে নবুয়তের প্রাসাদকে পূর্ণকারী সর্বশেষ ইটের সাথে নিজের তুলনা করে শেষ নবী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
২১. খতমে নবুয়তের প্রতি বিশ্বাস করা ঈমানের অঙ্গ। এতে অবিশ্বাসী কীসের শামিল?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কাফির
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: খতমে নবুয়ত আকাইদের মৌলিক বিশ্বাস, তাই এই অকাট্য সত্যকে অস্বীকারকারী ব্যক্তি ইসলাম থেকে খারিজ ও কাফির হিসেবে গণ্য হয়।
২২. "রিসালাত ও নবুয়তের ধারা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমার পর আর কোনো নবী ও রাসূল আসবেন না।"— এ বাণীটি কার?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) রাসূলুল্লাহ (স.)-এর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তিরমিজি শরিফের প্রসিদ্ধ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (স.) স্বয়ং নবুয়তের ধারা সমাপ্তির ব্যাপারে এই অকাট্য বাণীটি প্রদান করেছেন।
২৩. "আমি তো আপনাকে সমগ্র মানবজাতির প্রতি সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে প্রেরণ করেছি।"— এ উক্তিটি কে করেছেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) আল্লাহ তাআলা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পবিত্র কুরআনের সূরা সাবা-এর আয়াত মোতাবেক মহান আল্লাহ তাআলা স্বয়ং বিশ্বনবী (স.)-এর বিশ্বজনীন নবুয়তের ঘোষণা দিয়েছেন।
২৪. "মুহাম্মদ তোমাদের কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং সর্বশেষ নবী।"— এটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) খতমে নবুয়ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সূরা আল-আহযাবের এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে শেষ নবী বা খতমে নবুয়তের ধারক হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।
২৫. মহানবী (স.) নবুয়তকে কীসের সদৃশ বলেছেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) দালানের
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহানবী (স.) নবুয়তকে একটি সুন্দর ও সুদৃঢ় দালানের সাথে সদৃশ বা তুলনা করেছেন, যার সর্বশেষ অভাবপূরণকারী ইটটি হলেন তিনি নিজে।