১. জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে কয় শ্রেণিতে নির্দেশ করা হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) চারটি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উচ্চতা অনুযায়ী ৪ ভাগে বিভক্ত।
২. ধ্বনির উচ্চারণে মানব শরীরের যেসব প্রত্যঙ্গ জড়িত, সেগুলোকে একত্রে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) বাগযন্ত্র
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ধ্বনি উচ্চারণে ব্যবহৃত সকল অঙ্গকে একত্রে বাগযন্ত্র বা বাকপ্রত্যঙ্গ বলা হয়।
৩. আমাদের শরীরের উপরি প্রত্যঙ্গগুলোর প্রধান কাজ কী?
i. শ্বাসকার্য পরিচালনা করা
ii. খাদ্য গ্রহণ করা
iii. কথা বলা
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i,ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাগযন্ত্রের অঙ্গগুলো শ্বাসকার্য, খাদ্য গ্রহণ ও কথা বলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাগযন্ত্রের সাহায্যে আমরা কী উৎপাদন করি?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাগযন্ত্রের সাহায্যে আমরা মূলত বাগধ্বনি বা ধ্বনি উৎপাদন করি।
৫. কী নিয়ে বাগযন্ত্র তৈরি?
i. ফুসফুস, শ্বাসনালি, মধ্যচ্ছদা, চিবুক
ii. স্বরতন্ত্র, জিহ্বা, ঠোঁট, নিচের চোয়াল
iii. দাঁত, তালু, গলনালি, মধ্যচ্ছদা, চিবুক
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i,ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাগযন্ত্র ফুসফুস, শ্বাসনালি, স্বরতন্ত্র, জিহ্বা, ঠোঁট, দাঁত, তালু, গলনালি, মধ্যচ্ছদা ও চিবুক দ্বারা গঠিত।
৬. যে বাগধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস আগত বাতাস মুখের মধ্যে কোনোভাবে বাধাপ্রাপ্ত হয় না, সেগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যেসব ধ্বনি উচ্চারণে বাতাস কোথাও বাধা পায় না, তাকে স্বরধ্বনি বলে।
৭. কোন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস বাধাহীনভাবে একই সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে বেরিয়ে আসে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) আ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অ এবং আ এর উচ্চারণে বাতাস মুখ ও নাক দিয়ে বাধাহীনভাবে বের হয়।
৮. স্বরধ্বনির উচ্চারণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তিনটি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বার উচ্চতা, জিহ্বার অবস্থান এবং ঠোঁটের আকৃতি হলো স্বরধ্বনির গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয়।
৯. স্বরধ্বনির উচ্চারণে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কী?
i. জিহ্বার উচ্চতা
ii. জিহ্বার অবস্থান
iii. ঠোঁটের আকৃতি
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i,ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: স্বরধ্বনির উচ্চারণে জিহ্বার উচ্চতা, অবস্থান ও ঠোঁটের আকৃতি প্রধানত বিবেচিত হয়।
১০. কোমল তালুর অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে কী জাতীয় স্বরধ্বনি হিসেবে উচ্চারণ করতে হয়?
i. মৌলিক স্বরধ্বনি
ii. আনুনাসিক স্বরধ্বনি
iii. সম্মুখ স্বরধ্বনি
✓ সঠিক উত্তর: (খ) i ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কোমল তালুর অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি মৌখিক ও আনুনাসিক হয়।
১১. জিহ্বার সামনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত স্বরধ্বনিগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) সম্মুখ স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বার সামনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহ সম্মুখ স্বরধ্বনি।
১২. জিহ্বা স্বাভাবিক অবস্থায় থেকে অর্থাৎ সামনে কিংবা পেছনে না সরে যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, সেগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) মধ্য-স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বার কোনো নড়াচড়া না হয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলো মধ্য-স্বরধ্বনি।
১৩. জিহ্বার পেছনের অংশের সাহায্যে উচ্চারণ করতে হয় যে স্বরধ্বনি, তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) পশ্চাৎ স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বার পেছনের অংশের সাহায্যে উচ্চারিত ধ্বনিসমূহ পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
১৪. জিহ্বা সবচেয়ে উপরে উঠে যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) উচ্চ স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বা সর্বোচ্চ অবস্থানে উঠে উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়।
১৫. জিহ্বা সবচেয়ে নিচে অবস্থান করে যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) নিম্ন-স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বা সর্বনিম্ন অবস্থানে থেকে নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়।
১৬. জিহ্বা নিম্ন-স্বরধ্বনির তুলনায় উপরে এবং উচ্চ-স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে থেকে যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: এই অবস্থানটি নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনির।
১৭. জিহ্বা উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনির তুলনায় নিচে এবং নিম্ন-স্বরধ্বনি থেকে উপরে উঠে যে স্বরধ্বনি উচ্চারণ করতে হয়, তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জিহ্বার এই মধ্যবর্তী অবস্থানকে উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি বলে।
১৮. ঠোঁটের অবস্থা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোর উচ্চারণে কয় ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ২
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঠোঁটের আকৃতির ভিত্তিতে স্বরধ্বনিগুলো গোলাকৃত ও অগোলাকৃত হয়।
১৯. স্বরধ্বনি তৈরির সময় মুখ খোলার ওপর নির্ভর করে যেসব স্বরধ্বনিগুলো গঠিত হয়, সেগুলোকে কী বলে?
i. বিবৃত
ii. অর্ধ-বিবৃত
iii. সংবৃত
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i,ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মুখ খোলার মাত্রার ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিগুলো বিবৃত ও সংবৃত হয়।
২০. যেসব স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট গোলাকৃত হয়, সেই স্বরধ্বনিগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) গোলাকৃত স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঠোঁট গোল হয়ে উচ্চারিত ধ্বনিগুলো গোলাকৃত স্বরধ্বনি।
২১. গোলাকৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) অ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অ ধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট গোলাকৃত হয়।
২২. যেসব স্বরধ্বনির উচ্চারণে ঠোঁট গোল না হয়ে বিস্তারিত অবস্থায় থাকে সেগুলোকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অগোলাকৃত স্বরধ্বনি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঠোঁট বিস্তৃত থেকে উচ্চারিত ধ্বনি অগোলাকৃত।
২৩. অগোলাকৃত স্বরধ্বনি কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) আ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আ উচ্চারণের সময় ঠোঁট বিস্তৃত থাকে।
২৪. বাংলার সব স্বর কেমন?
i. হ্রস্ব
ii. দীর্ঘ
iii. কোনোটি নয়
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i,ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা স্বরধ্বনি হ্রস্ব বা দীর্ঘ দুই রকমেরই হতে পারে।
২৫. তালুর পেছনের অংশকে কী বলে?
i. শক্ত তালু
ii. কোমল তালু
iii. কোনোটি নয়
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তালুর পেছনের অংশটি কোমল তালু।