১. কাছারিবাড়িতে কাঙালী ছুটে এসেছিল—
✓ সঠিক উত্তর: (খ) i ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মৃত মায়ের অন্তিম ইচ্ছা পূরণে কিছু কাঠের সাহায্যের প্রত্যাশায় কাঙালী ব্যাকুল হয়ে জমিদারের কাছারিবাড়িতে ছুটে গিয়েছিল।
২. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) হুগলিতে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালে হুগলি জেলার দেবানন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
৩. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তাঁর জন্ম ১৮৭৬ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর।
৪. এফ.এ. শ্রেণিতে পড়ার সময় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ছাত্রজীবনের অবসান ঘটে কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) আর্থিক সংকটের কারণে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দারিদ্র্যের কারণে কলেজের পড়াশোনার খরচ চালাতে না পারায় তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার অবসান ঘটে।
৫. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে ভাগ্যের সন্ধানে বার্মা (মিয়ানমার) গমন করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১৯০৩ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৯০৩ সালে তিনি ভাগ্যান্বেষণে রেঙ্গুনে (বর্তমানে ইয়াঙ্গুন) যান।
৬. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রেঙ্গুনে অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের অফিসে কোন পদে চাকরি করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) কেরানি পদে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: রেঙ্গুনে থাকাকালীন তিনি রেলে এবং অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের অফিসে কেরানি হিসেবে কাজ করেছিলেন।
৭. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বার্মা থেকে কলকাতায় ফিরে আসেন কত সালে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১৯১৬ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটিয়ে ১৯১৬ সালে তিনি পাকাপাকিভাবে কলকাতায় ফিরে আসেন।
৮. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে জগত্তারিণী পদক লাভ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৯২৩ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য ‘জগত্তারিণী’ স্বর্ণপদক প্রদান করে।
৯. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৩৬ সালে কোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট উপাধি লাভ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
১০. কোনটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত গ্রন্থ?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) শেষ প্রশ্ন
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘শেষ প্রশ্ন’ তাঁর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। অন্যদিকে ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস।
১১. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১৯৩৮ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৯৩৮ সালের ১৬ই জানুয়ারি কলকাতায় এই মহান কথাসাহিত্যিক মৃত্যুবরণ করেন।
১২. ঠাকুরদাস মুখুয্যের বর্ষীয়সী স্ত্রী কয়দিনের জ্বরে মারা গেলেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) সাত দিনের জ্বরে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: গল্পে উল্লেখ আছে যে, মুখুয্যে মশাইয়ের স্ত্রী সাত দিনের সামান্য জ্বরেই পরলোকগমন করেন।
১৩. ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পে বর্ণিত ঠাকুরদাস মুখুয্যের কয় ছেলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) চার ছেলে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মুখুয্যে মশাইয়ের চার ছেলে ও তিন মেয়ে ছিল।
১৪. ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পে বৃদ্ধ মুখোপাধ্যায় মহাশয় কিসের কারবার করে সম্পদশালী হয়েছেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ধানের কারবার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তিনি ধানের কারবার করে অনেক অর্থ ও প্রতিপত্তি অর্জন করেছিলেন।
১৫. ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রীর মৃত্যুর পর বাড়িতে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হলো কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অনেক লোকের সমাগম হওয়ায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সধবা এবং বয়োজ্যেষ্ঠার মৃত্যুতে ধুমধাম করে শেষকৃত্য হওয়ার কারণে বাড়িতে শোরগোল ও মানুষের ভিড়ে উৎসবের মতো মনে হচ্ছিল।
১৬. ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রীর মৃত্যুর পর লাশের পায়ে আলতা পরিয়ে দিয়েছিল কারা?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) মেয়েরা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সধবা অবস্থায় মৃত্যু হওয়ায় তাঁর মেয়েরা শেষ বিদায় হিসেবে তাঁর পায়ে আলতা পরিয়ে দেয়।
১৭. ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রীর শবযাত্রায় দূর থেকে কে সঙ্গী হলো?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অভাগী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নিচু জাতের হওয়ায় অভাগী ভিড়ের কাছে যেতে পারেনি, তাই সে দূর থেকেই শবযাত্রার অনুগামী হয়েছিল।
১৮. শবযাত্রার সঙ্গী হওয়ার সময় অভাগীর আঁচলে কী বাঁধা ছিল?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) বেগুন
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সে হাটে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল, তাই তার আঁচলে গোটাকয়েক বেগুন বাঁধা ছিল।
১৯. কাঙালীর মা শবযাত্রার পেছন পেছন কোথায় গেল?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) শ্মশানঘাটে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শেষ পর্যন্ত দাহকার্য দেখার জন্য সে শ্মশানঘাট পর্যন্ত গিয়েছিল।
২০. ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পে বর্ণিত শ্মশানঘাট কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) গরুর নদী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: গ্রামপ্রান্তের ‘গরুর নদী’র তীরে শ্মশানঘাটটি অবস্থিত ছিল।
২১. উত্তম ছোট জাতের হওয়ায় ব্রাহ্মণদের কোনো অনুষ্ঠানে তাকে দূর থেকে দেখতে হয়। উত্তমের সাথে ‘অভাগীর স্বর্গ’ গল্পের কার মিল রয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) কাঙালীর মা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কাঙালীর মা বা অভাগী দুলে (নিচু জাত) হওয়ায় উচ্চবর্ণের মুখুয্যে বাড়ির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া দূর থেকে দেখতে বাধ্য হয়েছিল।
২২. কাঙালীর মা শ্মশানঘাটে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের কাছে যেতে পারল না কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ছোট জাতের হওয়ায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তৎকালীন সমাজের জাতিভেদ প্রথার কারণে নিচু জাতের মানুষের শ্মশানের কাছে যাওয়ার অনুমতি ছিল না।
২৩. শ্মশানঘাটে চিতার ওপর শব স্থাপন করা হলে কী দেখে কাঙালীর মায়ের চোখ জুড়িয়ে গেল?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) আলতারঙা পা দেখে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মুখুয্যে গিন্নির সিঁদুরমাখা কপাল ও আলতা পরানো পা দেখে অভাগীর মনে ভক্তি জেগেছিল।
২৪. অভাগী মৃত্যুর পর কার হাতের আগুন পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা করে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কাঙালীর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অভাগী মনে করত ছেলের হাতের মুখাগ্নি পেলেই সে স্বর্গে যেতে পারবে।
২৫. কাঙালীর মা চিতার ধোঁয়ার মধ্যে কী দেখতে পেল?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ছোট একটা রথ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কল্পনায় সে দেখল ধোঁয়ার কুন্ডলী পাকিয়ে যেন একটি ছোট রথ আকাশপানে ছুটে যাচ্ছে।