১. 'ঋণ' বানানে 'ণ' হয়েছে কোন নিয়মে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) 'ঋ'-এর পরে 'ণ' হয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঋ, র, ষ-এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়। এখানে 'ঋ'-এর পরে 'ণ' হয়েছে।
২. বাংলা বানানের নিয়ম বেঁধে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রতিষ্ঠান অগ্রণী ভূমিকা পালন করে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) বাংলা একাডেমী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমী প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পালন করে।
৩. নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) অরণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'অরণ' অশুদ্ধ বানান, সঠিক রূপ হবে 'ধরণ' বা 'বরণ'। তবে প্রশ্নে প্রদত্ত বিকল্প অনুযায়ী 'অরণ' শব্দটি অশুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত।
৪. বাগধ্বনিকে বর্ণ বা হরফের সাহায্যে লিখিত রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) বানান
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাগধ্বনিকে বর্ণ বা হরফ দিয়ে লিখে প্রকাশ করার প্রক্রিয়াই হলো বানান।
৫. প্রতিটি ভাষার ক্ষেত্রেই প্রয়োজন-
i. সুনিয়ন্ত্রিত বানান পদ্ধতি
ii. শব্দের অলিখিত রূপ
iii. সুশৃঙ্খল বানান পদ্ধতি
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ)
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একটি ভাষার শুদ্ধতার জন্য সুনিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল বানান পদ্ধতি থাকা অপরিহার্য।
৬. যৌগিক শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে বানানের নিয়মে কোনো পরিবর্তন আসবে কি না, তা জানার একমাত্র উপায় কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) বানানরীতি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বানানরীতি বা বানান বিধান থেকেই জানা যায় যে যৌগিক শব্দ বা অন্য শব্দ গঠনে বানানে কোনো পরিবর্তন হবে কি না।
৭. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রস্তাবিত 'বাংলা বানানের নিয়ম'-এর প্রথম সংস্করণ কত সালে প্রকাশিত হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) $1936$
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৩৬ সালে প্রথম বাংলা বানানের নিয়মাবলি প্রকাশ করে।
৮. বাংলাদেশে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কত সালে বাংলা বানানের একটি নীতিমালা প্রণয়ন করে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) $1988$
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ১৯৮৮ সালে বানানের একটি নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল।
৯. বাংলা একাডেমী 'প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' কত সালে প্রকাশিত হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) $1992$ সালের জানুয়ারি মাসে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমী কর্তৃক প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম ১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
১০. উৎসগত দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহ কয় ভাগে বিভক্ত?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) পাঁচ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উৎস অনুযায়ী বাংলা শব্দসমূহ তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি—এই পাঁচ ভাগে বিভক্ত।
১১. সংস্কৃত ভাষা থেকে যেসব শব্দ সরাসরি বাংলায় এসেছে, সেগুলোকে বলা হয়-
✓ সঠিক উত্তর: (ক) তৎসম শব্দ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত থেকে যে শব্দগুলো অবিকৃত অবস্থায় বাংলায় এসেছে, তাকে তৎসম (তৎ+সম = তার সমান) শব্দ বলে।
১২. বাংলা বানানের নিয়ম জানা প্রয়োজন কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ভাষার সামগ্রিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভাষার সামগ্রিক শৃঙ্খলা ও শুদ্ধতা রক্ষা করার জন্যই বানানরীতি বা বানানের নিয়ম জানা জরুরি।
১৩. পাঁচ ভাগে বিভক্ত উৎসগত শব্দগুলোর মধ্যে সংস্কৃত উৎসজাত শব্দ হচ্ছে-
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তৎসম, অর্ধতৎসম ও তদ্ভব—এই তিন প্রকার শব্দই সংস্কৃত ভাষা থেকে বিবর্তিত বা উদ্ভূত।
১৪. অনার্য জাতির ভাষা থেকে কোন শব্দগুলো বাংলা ভাষায় এসেছে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) দেশি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রাক-আর্য বা অনার্য জনগোষ্ঠী থেকে আসা শব্দগুলোই দেশি শব্দ।
১৫. বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে-
i. আরবি, ফারসি, তুর্কি
ii. পর্তুগিজ, ইংরেজি, ফরাসি
iii. জাপানি, চীনা, গুজরাটি
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, তুর্কি, ইংরেজি, পর্তুগিজ ইত্যাদি প্রধান।
১৬. নত্ব ও ষত্ব বিধান কোন শব্দের বানানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) তৎসম
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নত্ব ও ষত্ব বিধানের নিয়মগুলো মূলত কেবল সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বানানেই খাটে।
১৭. যে রীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দের বানানে দন্ত-ন-এর পরিবর্তে মূর্ধন্য-ণ ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) নত্ব বিধান
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহারের নিয়মই নত্ব বিধান।
১৮. নিচের কোন বানানটি সঠিক?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তৃণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঋ-কারের পরে মূর্ধন্য-ণ হয়, তাই 'তৃণ' সঠিক বানান।
১৯. তৎসম শব্দের বানানে 'র'-এর পরে 'ণ' হয়— এই নিয়মের আলোকে কোন বানানটি শুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কিরণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'র'-এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়, তাই 'কিরণ' শুদ্ধ বানান।
২০. নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মুদ্রণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: 'মুদ্রণ' শব্দে 'র'-এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়েছে।
২১. তৎসম শব্দের বানানে 'রেফ'-এর পরে 'ণ' হয়— এই নিয়মে কোন বানানটি শুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অর্ণব
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: রেফ (র্)-এর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়, তাই 'অর্ণব' শুদ্ধ।
২২. নিচের কোন বানানটি নত্ব বিধানের নিয়ম অনুযায়ী হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কণ্টক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কণ্টক শব্দে নত্ব বিধানের নিয়ম (ক-বর্গীয় ধ্বনির সাথে) অনুযায়ী ণ ব্যবহৃত হয়েছে।
২৩. কোন বানানগুচ্ছ শুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ঘণ্টা, দূষণ, বরণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঘণ্টা, দূষণ, বরণ—এই তিনটি শব্দই প্রমিত ও শুদ্ধ বানান।
২৪. প্র, পরি, নির—এই তিনটি উপসর্গের পরে 'ণ' হয়— এই নিয়মে কোন বানানটি সঠিক?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) প্রণয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উপসর্গগুলোর পরে মূর্ধন্য-ণ হয়, তাই 'প্রণয়' সঠিক।
২৫. কোন বানানটি শুদ্ধ?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) প্রণতি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পরে 'ণ' হয়, তাই 'প্রণতি' শুদ্ধ।