১. অন্ধবধূর কাছে কিসের স্পর্শ মায়ের স্নেহের মতো মনে হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দিঘির স্নিগ্ধ শীতল জলের
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দিঘির ঠান্ডা জল তাঁর তপ্ত শরীরে প্রশান্তি ও স্নেহের পরশ বুলিয়ে দেয়।
২. ‘অন্ধবধূ’ কবিতায় কোন পাখির চেঁচিয়ে সারা হওয়ার কথা উল্লেখ আছে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) চোখ-গেল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবিতায় ‘চোখ-গেল’ পাখির ডাক অন্ধবধূর মনে গভীর বেদনার উদ্রেক করে, কারণ সে চোখে দেখতে পায় না অথচ পাখিটি অবিরত ‘চোখ-গেল’ বলে চিৎকার করে।
৩. ‘মন্দ নেহাত হয় না কিন্তু তায়’ — পঙক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অন্ধবধূ তার কষ্টের জীবন থেকে মুক্তি পাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় মৃত্যু বা অন্ধত্বের অভিশাপ থেকে চিরতরে নিষ্কৃতি পাওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে এই চরণে তার মনের ভাব প্রকাশ করেছে।
উদ্দীপক:
নাসরীনের স্বামী চাকরির সুবাদে প্রবাস জীবন যাপন করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে স্বামীর খোঁজ-খবর নেই, তাঁর সঙ্গের যারা বিদেশে থাকেন তাঁরা মাঝে মাঝে আসেন-যান। কেবল তার স্বামীই যেন সবার থেকে আলাদা। নাসরীন স্বামীর জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষার দিন গোনে।
৪. উদ্দীপকের বক্তব্যে ‘অন্ধবধূ’ কবিতার বধূর কোন দিকটি ফুটে উঠেছে?
i. বিরহকাতরতা
ii. ব্যাকুলতা
iii. অভিমান
নিচের কোনটি সঠিক?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উদ্দীপকের নাসরীন যেমন প্রবাসে থাকা স্বামীর জন্য ব্যাকুলভাবে অপেক্ষা করছে, তেমনি ‘অন্ধবধূ’ কবিতার বধূটিও তার অনাগত বা অদর্শনীয় স্বামীর সান্নিধ্যের জন্য এক ধরণের বিরহ ও ব্যাকুলতা অনুভব করে।
৫. নাসরীনের স্বামীর সাথে ‘অন্ধবধূ’ কবিতার যে চরিত্রের পরিচয় আছে সেটি হলো —
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ঠাকুরঝির ভাই
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘অন্ধবধূ’ কবিতায় ‘ঠাকুরঝির ভাই’ বলতে অন্ধবধূর স্বামীকেই বোঝানো হয়েছে, যার সাথে উদ্দীপকের নাসরীনের স্বামীর চারিত্রিক অবস্থানের (বধূ বা স্ত্রীর নিকট অনুপস্থিতি) মিল পাওয়া যায়।
৬. ‘অন্ধবধূ’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দুঃখবাদী কবি হিসেবে পরিচিত যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ‘অন্ধবধূ’ কবিতাটি রচনা করেছেন।
৭. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত কত সালে জন্মগ্রহণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮৭৮ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত ১৮৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
৮. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের জন্মস্থান কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নদীয়া
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবির জন্ম পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার শান্তিপুরের নিকটবর্তী হরিপুর গ্রামে।
৯. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কবিমানসের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) পল্লী প্রীতি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তাঁর কবিতায় পল্লী প্রকৃতির রূপ এবং গ্রামীণ জীবনের দুঃখ-বেদনার চিত্র নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।
১০. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যবস্তু কিসে চিত্ররূপময়?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) নিসর্গ-সৌন্দর্যে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবির বর্ণনায় প্রকৃতির রূপ বা নিসর্গ-সৌন্দর্য অত্যন্ত জীবন্ত ও সার্থকভাবে উঠে আসে।
১১. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত তাঁর কবিতায় কী উন্মোচনে প্রয়াসী হয়েছেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) গ্রামবাংলার শ্যামল রূপ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার মাটির গন্ধ ও শ্যামল প্রকৃতির সহজ চিত্র ফুটে ওঠে।
১২. কোনটি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) নাগকেশর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘নাগকেশর’ কবির অন্যতম একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
১৩. যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ১৯৪৮ সালে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৯৪৮ সালে এই বিশিষ্ট কবির জীবনাবসান ঘটে।
১৪. অন্ধবধূর পায়ের তলায় নরম কী ঠেকে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) বকুল ফুল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবিতায় অন্ধবধূ অনুভব করে যে পায়ের তলায় ঝরে পড়া নরম বকুল ফুলগুলো স্পর্শ করছে।
১৫. অন্ধবধূ কার সাথে পুকুর ঘাটে গিয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ননদের সাথে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সে তাঁর ঠাকুরঝি বা ননদের সাথে পুকুর ঘাটে জল আনতে গিয়েছিল।
১৬. অন্ধবধূ কাকে আস্তে চলতে বলে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ননদকে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পায়ের স্পর্শে ঝরে পড়া ফুল ও প্রকৃতির রূপ অনুভবের জন্য সে তাঁর ননদকে ধীরে চলতে অনুরোধ করে।
১৭. অন্ধবধূ কখন মধুগন্ধী গন্ধ পায়?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) রাতে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: রাতের নিস্তব্ধতায় ফুলের তীব্র সুবাস বা মধুগন্ধী আঘ্রাণ সে বেশি অনুভব করে।
১৮. অন্ধবধূ ঠাকুরঝির কাছে কোন মাস আসার কথা জিজ্ঞেস করে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) জ্যৈষ্ঠ মাস
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আমের গন্ধে সে বুঝতে পারে যে জ্যৈষ্ঠ মাস আসন্ন, তাই সে ঠাকুরঝিকে জিজ্ঞেস করে।
১৯. অন্ধবধূর আকাশ-পাতাল মনে হয় কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মধুগন্ধী বাসে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ফুলের তীব্র গন্ধে এবং স্মৃতির তাড়নায় তাঁর মনে নানা ধরণের ভাবনার উদয় হয়।
২০. অন্ধবধূ ঠাকুরঝির কাছে জ্যৈষ্ঠ আসতে কতদিন দেরি বলে জানতে পারে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) অনেক দেরি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সে মনে করেছিল জ্যৈষ্ঠ চলে এসেছে, কিন্তু ঠাকুরঝি জানায় যে এখনো অনেক দেরি।
২১. অন্ধবধূ অনেক দিন আগে কিসের ডাক শুনেছে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) কোকিলের ডাক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বসন্তের শুরুতে সে কোকিলের ডাক শুনেছিল যা তাঁর মনে স্মৃতি জাগিয়ে তোলে।
২২. অন্ধবধূ ঠাকুরঝিকে কোন হাওয়া বন্ধ হওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) দখিনা হাওয়া
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বসন্ত শেষে দখিনা হাওয়া বন্ধ হলো কি না তা সে জানতে চায়।
২৩. ‘অন্ধবধূ’ কবিতায় কোথায় নতুন সিঁড়ি জাগে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দিঘির ঘাটে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দিঘির জল শুকিয়ে যাওয়ায় ঘাটের নিচের নতুন সিঁড়িগুলো জেগে উঠেছে।
২৪. অন্ধবধূর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা জাগে কেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ঘাটের সিঁড়িতে শ্যাওলা থাকায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ঘাটের সিঁড়িগুলো পিচ্ছিল ও শ্যাওলাযুক্ত হওয়ায় সে পড়ে যাওয়ার ভয় পায়।
২৫. কী ঘটলে অন্ধ চোখের দ্বন্দ্ব চুকে যায় বলে অন্ধবধূ মনে করে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পা পিছলে পানিতে তলিয়ে গেলে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সে মনে করে মৃত্যুর মাধ্যমেই তাঁর এই অন্ধকার জীবনের সকল যন্ত্রণার শেষ হবে।