১. রেভিনিউ'র মাধ্যমে কোন হিসাবের বৃদ্ধি ঘটে? [চ. বো. '২৪]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মালিকানাস্বত্ব হিসাবের
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাব সমীকরণের মূল নীতি অনুযায়ী কারবারে রেভিনিউ বা আয় অর্জিত হলে সরাসরি মালিকানাস্বত্ব (Equity) বৃদ্ধি পায়।
২. দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি— [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ধারণ পদ্ধতি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি আর্থিক লেনদেনের দ্বৈত সত্তা বিশ্লেষণ করে সমপরিমাণ টাকায় একটি পক্ষকে ডেবিট এবং অপর পক্ষকে ক্রেডিট নির্ধারণ করা হয়।
৩. দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য হলো—
i. এ পদ্ধতিতে দাতা ও গ্রহীতা দুটি পক্ষ থাকবে
ii. মোট ডেবিট অঙ্ক সর্বদাই মোট ক্রেডিট অঙ্কের সমান হবে
iii. গ্রহীতার হিসাব ক্রেডিট ও দাতার হিসাব ডেবিট হবে [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতিতে সুবিধা গ্রহণকারী গ্রহীতা সর্বদা ডেবিট এবং সুবিধা প্রদানকারী দাতা সর্বদা ক্রেডিট হয়। তাই iii নম্বর উক্তিটি ভুল।
৪. জনাব সুবীর রায় এর ক্রয় বইতে লিপিবদ্ধ করেন— [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ধারে ক্রয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব্যবসায়ের বিশেষ জাবেদাগুলোর মধ্যে ক্রয় জাবেদা বা ক্রয় বইতে শুধুমাত্র পণ্য বাকিতে বা ধারে ক্রয় সংক্রান্ত লেনদেনসমূহ লিপিবদ্ধ করা হয়।
৫. জনাব সুবীর রায় বাট্টাজনিত দাখিলা লিপিবদ্ধ করেন— [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) প্রকৃত জাবেদায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যেসকল লেনদেন অন্য কোনো প্রাথমিক বা বিশেষ জাবেদায় (যেমন- ক্রয়, বিক্রয় বা নগদান বই) স্থান পায় না, সেগুলো প্রকৃত জাবেদায় লিপিবদ্ধ করা হয়।
৬. জনাব সুবীর রায়ের প্রারম্ভিক জাবেদা দাখিলার প্রয়োজন হয় কেন? [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) পরবর্তী হিসাব কালের যাত্রা শুরু করার জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বিগত হিসাবকালের সমাপনী সম্পদ, দায় ও মূলধনের জেরগুলোকে পরবর্তী হিসাবকালের শুরুতে হিসাবভুক্ত করে কার্যক্রম শুরু করতে প্রারম্ভিক জাবেদা প্রয়োজন হয়।
৭. একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে সাধারণত কোন শ্রেণির হিসাব সংরক্ষণ করা হয় না? [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) আয় ও ব্যয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একতরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি হওয়ায় এতে শুধুমাত্র ব্যক্তিবাচক (দেনাদার-পাওনাদার) ও সম্পত্তিবাচক হিসাব রাখা হয়; আয় ও ব্যয়ের হিসাব রাখা হয় না।
৮. কোনটি সঠিক? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) প্রারম্ভিক মূলধন = প্রারম্ভিক মোট সম্পদ - প্রারম্ভিক মোট দায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাববিজ্ঞানের নিয়ম অনুসারে বছরের শুরুর মোট সম্পদ থেকে শুরুর মোট বহির্দায় বাদ দিলে প্রারম্ভিক মূলধনের প্রকৃত পরিমাণ পাওয়া যায়।
৯. আর্থিক বিবরণীর খসড়া স্বরূপ ব্যবহার করা হয়— [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) কার্যপত্র
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী যাতে নির্ভুল ও সহজে প্রস্তুত করা যায়, সেজন্য পূর্বপ্রস্তুতিমূলক বহুঘরবিশিষ্ট খসড়া বিবরণী হিসেবে কার্যপত্র (Work Sheet) ব্যবহৃত হয়।
১০. কোন ধারাবাহিকতাটি সঠিক? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) রেওয়ামিল, সমন্বয় দাখিলা, কার্যপত্র, আর্থিক বিবরণী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাবচক্রের পর্যায়ক্রম অনুযায়ী খতিয়ানের জের দিয়ে প্রথমে রেওয়ামিল, এরপর সমন্বয় দাখিলা, তারপর ঐচ্ছিক কার্যপত্র এবং সর্বশেষে আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করা হয়।
১১. প্রারম্ভিক মূলধন ৭০,০০০ টাকা এবং সমাপনী মূলধন ৯০,০০০ টাকা হলে, লাভ/ক্ষতির পরিমাণ কত? [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) লাভ ২০,০০০ টাকা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: লাভ বা ক্ষতি = সমাপনী মূলধন - প্রারম্ভিক মূলধন = ৯০,০০০ টাকা - ৭০,০০০ টাকা = ২০,০০০ টাকা (লাভ)।
১২. দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির মূলনীতি কোনটি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) সুবিধা গ্রহণকারী ডেবিট, সুবিধা প্রদানকারী ক্রেডিট
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির মৌলিক নিয়ম হলো লেনদেনের সুবিধা গ্রহণকারী পক্ষ বা হিসাবকে ডেবিট এবং সুবিধা প্রদানকারী পক্ষ বা হিসাবকে ক্রেডিট করা।
১৩. কোন লেনদেন জনাব ইশমামের প্রকৃত জাবেদায় লিপিবদ্ধ হবে? [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) মজুদপণ্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রারম্ভিক সম্পদ বা প্রারম্ভিক মজুদ পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করার দাখিলা কোনো বিশেষ জাবেদায় অন্তর্ভুক্ত না হয়ে প্রকৃত জাবেদায় স্থান পায়।
১৪. ৫ ও ২০ তারিখের লেনদেনগুলো কোন জাবেদা বইয়ে সংরক্ষণ করা হবে? [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) বিক্রয় জাবেদায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাকিতে বা ধারে পণ্য বিক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় লেনদেন প্রাথমিক হিসাবের বই হিসেবে বিক্রয় জাবেদায় সংরক্ষণ করা হয়।
১৫. জনাব ইশমাম পণ্য ফেরত দেবার সময় প্রস্তুত করবেন— [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ডেবিট নোট
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ক্রয়কৃত পণ্য কোনো কারণে বিক্রেতার কাছে ফেরত পাঠানোর সময় ক্রেতা মালের বিস্তারিত বিবরণ ও মূল্য উল্লেখ করে ডেবিট নোট তৈরি করে পাঠায়।
১৬. দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির সুবিধা কোনটি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) সহজ প্রয়োগ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সুনির্দিষ্ট ও সর্বজনস্বীকৃত নিয়মনীতি বিদ্যমান থাকায় হিসাব সংরক্ষণে দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি তুলনামূলক সহজ ও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায়।
১৭. 'প্রতিটি লেনদেনেই দু'টি পক্ষ থাকতে হবে'—এটি লেনদেনের কোন বৈশিষ্ট্য? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) দ্বৈতসত্তা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রতিটি আর্থিক লেনদেনে সমপরিমাণ অর্থে সুবিধা গ্রহণকারী ও সুবিধা প্রদানকারী হিসেবে দুটি পক্ষের উপস্থিতি লেনদেনের 'দ্বৈতসত্তা' নির্দেশ করে।
১৮. হিসাবচক্রের তৃতীয় ধাপ কোনটি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) জাবেদাভুক্তকরণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাবচক্রের প্রথম ধাপ লেনদেন শনাক্তকরণ, দ্বিতীয় ধাপ লেনদেন বিশ্লেষণ এবং তৃতীয় অপরিহার্য ধাপ হলো লেনদেন জাবেদাভুক্তকরণ।
১৯. কার্যপত্র তৈরি করা হয় কখন? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের পূর্বে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাবকালের শেষ প্রান্তে চূড়ান্ত আর্থিক বিবরণী প্রস্তুতের পূর্বে সমন্বয়গুলো সঠিকভাবে যাচাই করার সুবিধার্থে খসড়া হিসেবে কার্যপত্র তৈরি করা হয়।
২০. হিসাবচক্রের কোন ধাপে প্রতিটি ঘটনাকে বিশ্লেষণ করে লেনদেন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) লেনদেন শনাক্তকরণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: হিসাবচক্রের সর্বপ্রথম ধাপ হলো 'লেনদেন শনাক্তকরণ', যেখানে প্রতিটি অনার্থিক ঘটনা থেকে আর্থিক লেনদেনগুলোকে আলাদা করে চিহ্নিত করা হয়।
২১. কোন ক্ষেত্রে দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই? [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা জানার জন্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব্যবসায়ের নির্দিষ্ট সময়ান্তের সঠিক লাভ-ক্ষতি এবং পরিসম্পদ ও দায়ের প্রকৃত চিত্র নিরূপণে একমাত্র বিজ্ঞানসম্মত দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতির বিকল্প নেই।
২২. হ্রাস পেলে ডেবিট হয়—
i. মালিকানাস্বত্ব
ii. দায়
iii. আয় [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) i, ii ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আধুনিক হিসাব সমীকরণ অনুযায়ী দায় (L), মালিকানাস্বত্ব (E) এবং আয় (R) বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট হয় এবং হ্রাস পেলে সর্বদা ডেবিট হয়।
২৩. একতরফা দাখিলা পদ্ধতি একটি—
i. পূর্ণাঙ্গ হিসাব পদ্ধতি
ii. অসম্পূর্ণ হিসাব পদ্ধতি
iii. অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের উভয় দিক সমভাবে লিপিবদ্ধ করা হয় না বলে এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ ও অসম্পূর্ণ হিসাব পদ্ধতি।
২৪. বর্তমানে হিসাবের ভিত্তি হলো—
i. উৎপাদন ব্যয় হিসাব পদ্ধতি
ii. এক তরফা দাখিলা পদ্ধতি
iii. দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতি [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আধুনিক ব্যবসা জগতে নির্ভরযোগ্যতা ও পূর্ণাঙ্গতার কারণে দু'তরফা দাখিলা পদ্ধতিকেই হিসাব সংরক্ষণের সর্বজনস্বীকৃত মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
২৫. একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে যে হিসাব সংরক্ষণের গুরুত্ব দেওয়া হয় না তা হলো—
i. আয়
ii. ব্যয়
iii. সম্পদ ও দায় [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে কেবল দেনাদার, পাওনাদার ও নগদ অর্থের হিসাব রাখা হয়; কিন্তু নামিক হিসাব অর্থাৎ আয় ও ব্যয়ের কোনো হিসাব রাখা হয় না।