১. রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হলো—
i. স্ফটিকযুক্ত শিলা
ii. কোমল শিলা
iii. জীবাশ্ম দেখা যায় না
নিচের কোনটি সঠিক? [দি. বো. '২২]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) i ও iii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রচণ্ড তাপ ও চাপে রূপান্তরের ফলে আদি শিলার জীবাশ্ম সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং শিলাটি স্ফটিকাকার ও অত্যন্ত কঠিন হয়।
২. কোনটি থেকে গ্রাফাইট উৎপন্ন হয়? [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ; চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কয়লা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভূগর্ভস্থ অতিরিক্ত তাপ ও চাপের প্রভাবে জৈব পাললিক শিলা কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।
৩. নিম্নাভিমুখে নদীর—
i. স্রোতের গতি বেড়ে যায়
ii. গভীরতা কমে যায়
iii. পার্শ্বক্ষয় হ্রাস পায়
নিচের কোনটি সঠিক? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নদীর নিম্নগতিতে ঢাল কমে যাওয়ায় স্রোতের বেগ হ্রাস পায় এবং প্রচুর পলি সঞ্চিত হওয়ার কারণে নদীর গভীরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
৪. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ভঙ্গিল পর্বত বা পাহাড়ি ভূমিরূপ দেখা যায়? [প্রয়োগ]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দক্ষিণ-পূর্ব
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে টারশিয়ারি যুগের ভাঁজ পর্বত বা পাহাড়ি ভূমিরূপ দেখা যায়।
৫. ব-দ্বীপ ও পলল ভূমিরূপ সাধারণত গঠিত হয়—
i. পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে
ii. নদীর মোহনায়
iii. ক্ষয়কার্যের মাধ্যমে
নিচের কোনটি সঠিক? [অনুধাবন]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব-দ্বীপ এবং পাললিক ভূমির স্তর মূলত নদী ও সাগরের মোহনায় যুগ যুগ ধরে পলি সঞ্চয়ের মাধ্যমে গঠিত হয়।
৬. কেন্দ্রমণ্ডলের তরল বহিঃস্তর কত কিলোমিটার পুরু? [দি. বো. '২৪]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ২,২৭০ কিলোমিটার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কেন্দ্রমণ্ডলের দুটি অংশের মধ্যে তরল অবস্থায় থাকা বহিঃঅংশের পুরুত্ব প্রায় ২,২৭০ কিলোমিটার।
৭. ভূত্বক মহাদেশের তলদেশে পুরুত্ব কত? [দি. বো. '২৪]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৩৫ কি. মি.
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সমুদ্র তলদেশের তুলনায় মহাদেশীয় ভূত্বক অনেক বেশি পুরু; গড়ে এর পুরুত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
৮. ভূ-অভ্যন্তরে ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব কত কিলোমিটার? [ম. বো. '২৪]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ২০ কিলোমিটার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সামগ্রিকভাবে সমগ্র পৃথিবীর ভূত্বকের (অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগ) গড় পুরুত্ব প্রায় ১৬ থেকে ২০ কিলোমিটার।
৯. ভূত্বক থেকে অভ্যন্তর দিকে প্রতি ১০০ মিটারে কত ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়? [রা. বো. '২৩]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৩°সে.
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভূত্বক থেকে ভূগর্ভের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে গড়ে প্রতি ১০০ মিটার গভীরতায় প্রায় ৩° সেলসিয়াস হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
১০. মহাসাগরের তলদেশে ভূত্বকের গড় পুরুত্ব কত কিলোমিটার? [সি. বো. '২২]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৫
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহাসাগরীয় ভূত্বক (সিমা স্তর) অত্যন্ত পাতলা এবং এর গড় পুরুত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার।
১১. পৃথিবীর গুরুমণ্ডলের ঊর্ধ্বভাগের বিস্তার কত কিলোমিটার? [দি. বো. '২১; ব. বো. '২৩]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ৭০০
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভূত্বকের নিচ থেকে প্রায় ৭০০ কিলোমিটার গভীরতা পর্যন্ত অংশকে ঊর্ধ্ব গুরুমণ্ডল (Upper Mantle) বলা হয়।
১২. ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে? [ব. বো. '২১]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ৩০°
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রতি ১০০ মিটারে ৩° সেলসিয়াস বাড়লে, ১ কিলোমিটার বা ১০০০ মিটার গভীরতায় তাপমাত্রা প্রায় (১০ × ৩°) = ৩০° সেলসিয়াস বৃদ্ধি পায়।
১৩. কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান উপাদানগুলো হলো— [কু. বো. '২১]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নিকেল ও লোহা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কেন্দ্রমণ্ডলের প্রধান উপাদান নিকেল (Ni) ও লোহা বা ফেরাস (Fe), যার কারণে একে সংক্ষেপে 'নিফে' (NiFe) স্তর বলা হয়।
১৪. কেন্দ্রমণ্ডলের পুরুত্ব কত কিলোমিটার? [ম. বো. '২০]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ৩৪৮৬
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: গুরুমণ্ডলের তলদেশ থেকে ভূকেন্দ্র পর্যন্ত বিস্তৃত কেন্দ্রমণ্ডলের মোট পুরুত্ব প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার।
১৫. সৃষ্টির সময় পৃথিবী কীরূপ ছিল? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আজ থেকে প্রায় ৪৫০ কোটি বছর পূর্বে সৃষ্টির প্রারম্ভে পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত ও ঘূর্ণায়মান গ্যাসপিণ্ড।
১৬. কোন অবস্থা থেকে পৃথিবী শীতল ও ঘনীভূত হয়? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) উত্তপ্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহাকাশে তাপ বিকিরণ করে উত্তপ্ত গ্যাসীয় অবস্থা থেকে কোটি কোটি বছর ধরে পৃথিবী ধীরে ধীরে শীতল, তরল ও ঘনীভূত হয়ে কঠিন ভূত্বক গঠন করেছে।
১৭. পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরকে কী বলে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মণ্ডল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠনকে ঘনত্বের তারতম্য অনুযায়ী প্রধান তিনটি স্তরে বা 'মণ্ডলে' ভাগ করা হয়েছে।
১৮. পৃথিবীর উপরের স্তরটিকে কী বলে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) অশ্মমণ্ডল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পৃথিবীর উপরিভাগের কঠিন ও পাথুরে বহিরাবরণকে অশ্মমণ্ডল (Lithosphere) বা এর উপরিভাগকে ভূত্বক বলে।
১৯. অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশ কী নামে পরিচিত? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ভূত্বক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অশ্মমণ্ডলের সবচেয়ে ওপরের পাতলা ও দৃশ্যমান কঠিন স্তরটিকে 'ভূত্বক' (Crust) বলা হয়।
২০. ভূত্বক শিলায় যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাকে কী বলে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ভূত্বক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পৃথিবীর কঠিন বহিরাবরণ যা মূলত বিভিন্ন শিলা ও খনিজের সমন্বয়ে গঠিত তাকে ভূত্বক বলে।
২১. 'সিয়াল' কী? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহাদেশীয় ভূত্বক সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (Al) দ্বারা গঠিত হওয়ায় একে সংক্ষেপে 'সিয়াল' (SIAL) স্তর বলা হয়।
২২. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম দ্বারা গঠিত স্তরের নাম কী? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) সিয়াল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সিলিকন (Si) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al) সমৃদ্ধ মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরটিকে সিয়াল বলা হয়।
২৩. মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে কী বলে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) সিয়াল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহাদেশের তলদেশে অবস্থিত গ্রানাইট জাতীয় শিলাস্তরকে সিয়াল স্তর বলা হয়।
২৪. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দ্বারা গঠিত অংশের নাম কী? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) সিমা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Ma) দ্বারা গঠিত মহাসাগরীয় ব্যাসল্ট স্তরটিকে 'সিমা' (SIMA) বলে।
২৫. সিমা কী নিয়ে তৈরি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মহাসাগরীয় ভূত্বকের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম।