১. চিরহরিৎ বনভূমির গাছের পাতা— [দি. বো. '১৪]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: চিরহরিৎ বনের গাছের পাতা কখনোই একসাথে ঝরে পড়ে না বা একসাথে ফোটে না; ফলে এই বনভূমি সারা বছর চিরসবুজ থাকে।
২. মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মাইভার পর্বত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: লামার মাইভার পর্বতে মাতামুহুরী নদীর উৎপত্তি হয়েছে। এই নদীটি চকরিয়ার পশ্চিম পাশ ঘেঁষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে (দৈর্ঘ্য প্রায় ১২০ কিমি)।
<b>বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল :</b>
<table style="width:100%; border-collapse:collapse; margin-top:6px; border:1px solid #334155; font-size:0.85rem;"><tr><th style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px; background:#f1f5f9; text-align:left;">নদীর নাম</th><th style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px; background:#f1f5f9; text-align:left;">উৎপত্তিস্থল</th></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">পদ্মা</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">মেঘনা</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">আসামের বরাক নদী (সুরমা ও কুশিয়ারার মিলনস্থল)</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">সুরমা ও কুশিয়ারা</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">আসামের বরাক নদী</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">ব্রহ্মপুত্র</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">তিব্বতের মানস সরোবর</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">কর্ণফুলী</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">আসামের লুসাই পাহাড়</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">তিস্তা</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">সিকিমের পার্বত্য অঞ্চল</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">সাঙ্গু</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">আরাকান পাহাড়</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">ফেনী</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">পার্বত্য ত্রিপুরা</td></tr><tr><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">মাতামুহুরী</td><td style="border:1px solid #334155; padding:4px 8px;">লামার মাইভার পর্বত</td></tr></table>
৩. গজারি বৃক্ষের বৈশিষ্ট্য হলো—
i. ঋতুভেদে সকল পাতা ঝরে পড়ে
ii. এর পাতাগুলো চিরসবুজ থাকে
iii. এটি লবণাক্ত মাটিতে জন্মায়
নিচের কোনটি সঠিক? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: শাল বা গজারি হলো ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল বনভূমির প্রধান বৃক্ষ। শীতকালে এই বৃক্ষের সব পাতা সম্পূর্ণ ঝরে পড়ে এবং বসন্তে নতুন কচি পাতা গজায়।
৪. বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ছোটবড় মিলিয়ে মোট কতটি নদী রয়েছে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ১০০৮টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নদীমাতৃক বাংলাদেশের সামগ্রিক ভূখণ্ডের ওপর দিয়ে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ১০০৮টি নদ-নদী জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে, যাদের মোট আয়তন দৈর্ঘ্য প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার।
৫. বাংলাদেশের নদীগুলোর মোট আয়তন দৈর্ঘ্য কত? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ২২,১৫৫ কি. মি.
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের অভ্যন্তর দিয়ে প্রবাহিত ছোট-বড় সকল নদ-নদী, শাখা নদী ও উপনদীগুলোর সর্বমোট দৈর্ঘ্য হলো প্রায় ২২,১৫৫ কিলোমিটার।
৬. বাংলাদেশের প্রধান নদী নয় কোনটি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) সিন্ধু
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, কর্ণফুলী, ব্রহ্মপুত্র ও পশুর হলো বাংলাদেশের প্রধান প্রধান নদ-নদী। অপরদিকে 'সিন্ধু' নদী মূলত ভারত ও পাকিস্তানের প্রধান আন্তর্জাতিক নদী।
৭. বাংলাদেশ প্রবাহিত নদীগুলোর শেষ গন্তব্যস্থল কোথায়? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) বঙ্গোপসাগরে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রায় সকল নদ-নদী বিভিন্ন পর্বত ও অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে দেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পরিশেষে দক্ষিণ দিকে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে।
৮. কোন নদীটির দুটি নাম আছে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পদ্মা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভারতে যে নদীটিকে 'গঙ্গা' বলা হয়, বাংলাদেশে প্রবেশ করে সেটি 'পদ্মা' নাম ধারণ করেছে; অর্থাৎ গঙ্গা ও পদ্মা একই নদীর দুটি ভিন্ন নাম।
৯. একটি নদী ভারত থেকে রাজশাহী জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। উক্ত নদী ভারত ও বাংলাদেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। নদীটির নাম কী? [রা. বো. '২৩]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) পদ্মা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ভারতে গঙ্গা নদী হিসেবে পরিচিত আন্তর্জাতিক নদীটি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলা দিয়ে প্রবেশ করে 'পদ্মা' নাম ধারণ করেছে।
১০. পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়? [সি. বো. '১৫]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) গঙ্গোত্রী হিমবাহ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পদ্মা নদীর মূল উৎস হলো মধ্য হিমালয়ের বিখ্যাত 'গঙ্গোত্রী হিমবাহ'।
১১. গঙ্গা নদী কোন জেলা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে? [ম. বো. '২৪]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) রাজশাহী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: গঙ্গা নদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশের রাজশাহী জেলা দিয়ে এ দেশে প্রবেশ করেছে।
১২. পদ্মা নদীটি বাংলাদেশের কোন জেলা দিয়ে প্রবেশ করেছে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) রাজশাহী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পদ্মা নদী বাংলাদেশের রাজশাহী জেলা সীমান্ত দিয়ে প্রথম প্রবেশ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
১৩. গঙ্গা-পদ্মা নদীবিধৌত অঞ্চলের আয়তন কত? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৩৪,১৮৮ বর্গ কি. মি.
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা নদী এবং এর বিভিন্ন শাখা-উপনদী বিধৌত প্লাবন অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার।
১৪. কোন নদীর শাখা নদী বেশি? [রা. বো. '২৩]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) পদ্মা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর মধ্যে পদ্মা নদীর শাখা নদীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি; যেমন: ভাগীরথী, হুগলি, মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, ভৈরব, কুমার, কপোতাক্ষ, নবগঙ্গা, চিত্রা, মধুমতী ও আড়িয়াল খাঁ।
১৫. কোনটি পদ্মা নদীর শাখানদী নয়? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) করতোয়া
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: করতোয়া হলো যমুনার অন্যতম প্রধান উপনদী। অপরদিকে মধুমতী, চিত্রা ও ভৈরব হলো পদ্মা নদীর শাখানদী।
১৬. নিচের কোনটি পদ্মা নদীর শাখা নদী? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মধুমতী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মধুমতী হলো পদ্মা নদীর একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখানদী। তিস্তা, করতোয়া ও আত্রাই হলো যমুনার উপনদী।
১৭. ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে কোথা থেকে? [দি. বো. '১৫]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) তিব্বতের মানস সরোবর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তি হয়েছে হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে অবস্থিত তিব্বতের ঐতিহাসিক 'মানস সরোবর' হ্রদ থেকে।
১৮. ভারতের কোন রাজ্য হয়ে ব্রহ্মপুত্র বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) আসাম
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তিব্বত থেকে ভারতের আসাম রাজ্যের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলা দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছে।
১৯. ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদী সৃষ্টি হয়। নদীটির নাম কী? [চ. বো. '২৩]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) যমুনা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৭৮৭ সালের এক প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্র নদের তলদেশ উঁচু হয়ে নতুন তলদেশ সৃষ্টি করে, যার ফলে ব্রহ্মপুত্রের প্রধান জলধারাটি 'যমুনা' নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হতে থাকে।
২০. যমুনা নদীর সৃষ্টির কারণ কী? [ঢা. বো. '২৪; সি. বো. '১৭; য. বো. '১৯]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ভূমিকম্প
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৭৮৭ সালের মারাত্মক ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে নতুন ও খরস্রোতা যমুনা নদীর উৎপত্তি হয়।
২১. যমুনা নদীর শাখানদী কোনটি? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ধলেশ্বরী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ধলেশ্বরী হলো যমুনা নদীর প্রধান শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখা নদী হলো বুড়িগঙ্গা।
২২. বুড়িগঙ্গা কোন নদীর শাখা নদী? [যশোর বোর্ড]
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ধলেশ্বরী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: রাজধানী ঢাকার কোল ঘেঁষে প্রবাহিত ঐতিহাসিক বুড়িগঙ্গা নদীটি মূলত ধলেশ্বরী নদীর একটি শাখানদী।
২৩. ধলেশ্বরীর শাখানদী কোনটি? [চ. বো. '২০]
✓ সঠিক উত্তর: (গ) বুড়িগঙ্গা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বুড়িগঙ্গা হলো ধলেশ্বরী নদীর অন্যতম প্রধান শাখানদী।
২৪. নিচের কোনটি ব্রহ্মপুত্রের উপনদী? [দা. বো. '১৯]
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ধরলা ও তিস্তা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উত্তরবঙ্গের তিস্তা ও ধরলা নদী হলো ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান দুটি উপনদী।
২৫. কোনটি যমুনার উপনদী? [জ্ঞান]
✓ সঠিক উত্তর: (ক) তেলসুর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তেলসুর হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পাতাঝরা মিশ্র বনভূমির চিরসবুজ বৃক্ষ। অপরদিকে কড়ই, শিরীষ ও শালগাছ হলো ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনভূমির উদ্ভিদ।