১. বীজত্বকের বাইরের স্তরকে কী বলে? :
✓ সঠিক উত্তর: (গ) টেস্টা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বীজের বাইরের শক্ত আবরণ বা বীজত্বকের বাইরের স্তরকে টেস্টা এবং ভেতরের পাতলা স্তরকে টেগমেন বলে। এই টেস্টা বীজকে বাইরের আঘাত এবং জীবাণুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করে, যা ভ্রূণের সুস্থ বিকাশের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
২. উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) প্রজনন
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রজনন হলো জীববিজ্ঞানের সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে উদ্ভিদ তার বংশধর তৈরি করে এবং পৃথিবীতে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন প্রজননের জন্য ফুল আবশ্যক। ফুল থেকে ফল এবং ফল থেকে বীজ উৎপন্ন হয়, যা নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টির মূল উপাদান হিসেবে কাজ করে থাকে।
৩. সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন প্রজননের জন্য কী প্রয়োজন? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ফুল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সপুষ্পক উদ্ভিদে ফুল থেকেই ফল ও বীজ উৎপন্ন হয়, যা নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টির প্রক্রিয়ায় প্রধান ভূমিকা পালন করে। ফুলের বিভিন্ন অংশ যেমন পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক প্রজনন প্রক্রিয়ায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে। তাই ফুল ছাড়া সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন প্রজনন সম্ভব নয়, যা বংশবৃদ্ধির একটি মৌলিক শর্ত।
৪. ফুলের প্রধান অংশ কয়টি? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৪টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একটি আদর্শ ফুলের প্রধান অংশগুলো হলো বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক। প্রতিটি অংশের আলাদা আলাদা কাজ রয়েছে। বৃতি ও দলমণ্ডল প্রজননে সহায়তা করে, আর পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক সরাসরি প্রজনন বা বংশবৃদ্ধিতে অংশ গ্রহণ করে। এগুলো মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ ফুল গঠিত হয়।
৫. ফুলের কোন অংশটি পতঙ্গকে আকৃষ্ট করে? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) দলমণ্ডল
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: দলমণ্ডল বা পাপড়িগুলো সাধারণত উজ্জ্বল রঙের হয় যা বিভিন্ন পতঙ্গ ও পাখিকে আকৃষ্ট করে। এই আকর্ষণ পরাগায়ন নিশ্চিত করতে সাহায্য করে, কারণ পতঙ্গরা ফুলে ফুলে ঘুরে পরাগ রেণু স্থানান্তরের মাধ্যমে পরাগায়নে বড় ভূমিকা রাখে। এটি উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরোক্ষ প্রক্রিয়া।
৬. পুংস্তবকের প্রধান কাজ কী? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পরাগরেণু তৈরি করা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পুংস্তবক বা এন্ড্রোসিয়াম ফুলের পুরুষ প্রজনন অঙ্গ। এর পরাগধানীতে উৎপন্ন পরাগরেণু পরাগায়নের মাধ্যমে গর্ভমুণ্ডে পৌঁছায় এবং পরবর্তীতে নিষেক প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। পরাগরেণুর উৎপাদন ছাড়া যৌন প্রজনন সম্ভব নয়, তাই পুংস্তবক উদ্ভিদের বংশগতি ও প্রজননের জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
৭. স্ত্রীস্তবকের প্রধান কাজ কী? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ডিম্বাণু তৈরি করা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: স্ত্রীস্তবক বা গাইনোসিয়াম ফুলের স্ত্রী প্রজনন অঙ্গ। এর গর্ভাশয়ের ভেতর ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। নিষেক প্রক্রিয়ায় পরাগরেণুর সাথে ডিম্বাণুর মিলনের ফলেই জাইগোট তৈরি হয়, যা থেকে পরবর্তীতে বীজ ও ফল সৃষ্টি হয়। সুতরাং ডিম্বাণুর উৎপাদন ও জাইগোট গঠন স্ত্রীস্তবকের প্রধান এবং অপরিহার্য কাজ।
৮. পরাগায়ন কত প্রকার? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ২ প্রকার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পরাগায়ন প্রধানত দুই প্রকার: স্ব-পরাগায়ন এবং পর-পরাগায়ন। যখন একই ফুলের বা একই উদ্ভিদের দুটি ফুলের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। আর যখন ভিন্ন দুটি উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে পরাগায়ন ঘটে, তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। এই প্রক্রিয়াই বীজ সৃষ্টির প্রথম ধাপ।
৯. স্ব-পরাগায়ন কোন উদ্ভিদে ঘটে? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) সরিষা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সরিষা ফুলে স্ব-পরাগায়ন দেখা যায়, যেখানে একই ফুলের পরাগরেণু ওই ফুলেরই বা ওই উদ্ভিদের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে পড়ে। স্ব-পরাগায়নের জন্য বাহকের ওপর নির্ভর করতে হয় না এবং প্রজাতি টিকে থাকার জন্য এটি একটি সহজ পদ্ধতি। তবে স্ব-পরাগায়নের ফলে নতুন নতুন বৈচিত্র্য সৃষ্টির সম্ভাবনা কম থাকে।
১০. পরাগায়নের বাহক হিসেবে কাজ করে কোনটি? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পতঙ্গ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পরাগায়নের বাহক হিসেবে পতঙ্গ, বায়ু, পানি ও বিভিন্ন প্রাণী কাজ করে। পতঙ্গরা উজ্জ্বল রঙের ফুলের আকর্ষণে এসে পরাগরেণু এক ফুল থেকে অন্য ফুলে বহন করে নিয়ে যায়। এই বাহকগুলো না থাকলে অধিকাংশ উদ্ভিদের নিষেক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতো না, ফলে বীজ উৎপাদন ও বংশবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতো।
১১. নিষেক কী? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পুং ও স্ত্রী গ্যামেটের মিলন
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নিষেক হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে পরাগরেণু থেকে উৎপন্ন পুং গ্যামেট এবং গর্ভাশয়ের ভেতরে থাকা স্ত্রী গ্যামেট বা ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। এই মিলনের ফলে জাইগোট উৎপন্ন হয়, যা পরবর্তীতে বিকশিত হয়ে ভ্রূণে পরিণত হয়। নিষেক ছাড়া সপুষ্পক উদ্ভিদে বীজ উৎপাদন ও বংশবৃদ্ধি সম্ভব নয়।
১২. ফলের উৎপত্তি কোথায় হয়? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) গর্ভাশয়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: নিষেক প্রক্রিয়ার পর গর্ভাশয়টি পরিবর্তিত হয়ে ফলে পরিণত হয়। ফুলের অন্যান্য অংশ যেমন বৃতি বা দলমণ্ডল ঝরে যেতে পারে, কিন্তু গর্ভাশয়টি বড় হয়ে বীজকে রক্ষা করার জন্য ফলের রূপ নেয়। সুতরাং উদ্ভিদ বিজ্ঞানে গর্ভাশয়কেই ফলের মূল উৎস হিসেবে গণ্য করা হয়।
১৩. উদ্ভিদের বংশবৃদ্ধির জন্য বীজের গুরুত্ব কী? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) নতুন উদ্ভিদের উৎপত্তি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বীজ হলো উদ্ভিদের প্রজননের সর্বশেষ ধাপ, যার মধ্যে ভ্রূণ সুরক্ষিত থাকে। উপযুক্ত পরিবেশে বীজ অঙ্কুরিত হয়ে নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়। বীজ শুধু বংশবৃদ্ধিতেই সাহায্য করে না, এটি প্রতিকূল অবস্থায় উদ্ভিদকে টিকে থাকতেও সাহায্য করে, তাই বংশবৃদ্ধির জন্য বীজের গুরুত্ব অপরিসীম।
১৪. অজনন প্রজনন বা অঙ্গজ জনন কয়ভাবে হয়? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ২ভাবে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অঙ্গজ জনন মূলত প্রাকৃতিক ও কৃত্রিমভাবে সম্পন্ন হয়। প্রাকৃতিক উপায়ে উদ্ভিদ নিজের থেকেই বংশবৃদ্ধি করে, আর কৃত্রিমভাবে মানুষ কলম বা শাখা কলমের মাধ্যমে নতুন উদ্ভিদ তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় বীজ ছাড়াই নতুন উদ্ভিদ তৈরি করা সম্ভব, যা কৃষি কাজে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কার্যকর পদ্ধতি।
১৫. পাতা থেকে নতুন উদ্ভিদ জন্মে কোন উদ্ভিদের? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পাথরকুচি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পাথরকুচি পাতার কিনারা থেকে অস্থানিক মুকুল সৃষ্টি হয়, যা থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেয়। এটি অঙ্গজ প্রজননের একটি চমৎকার উদাহরণ। প্রজননের জন্য এই উদ্ভিদে কোনো ফুলের বা বীজের প্রয়োজন হয় না, কেবল পাতার সামান্য অংশ থেকেই নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি সম্ভব, যা এদের বংশবৃদ্ধির প্রধান উপায়।
১৬. কন্দ (Tuber) এর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে কোন উদ্ভিদ? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) আলু
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: আলু মাটির নিচে কন্দ তৈরি করে এবং এই কন্দের গায়ে থাকা 'চোখ' বা কুঁড়ি থেকে নতুন আলু গাছের জন্ম হয়। এটিও একটি প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বীজের কোনো ভূমিকা নেই, কেবল কন্দের অংশ রোপণ করলেই নতুন উদ্ভিদ জন্মাতে পারে, যা বংশবৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
১৭. পরাগায়ন সফল হওয়ার জন্য কী প্রয়োজন? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পরাগরেণুর স্থানান্তর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পরাগায়ন হলো পরাগরেণুর স্থানান্তরের প্রক্রিয়া। যতক্ষণ না পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পৌঁছাচ্ছে, ততক্ষণ নিষেক সম্ভব নয়। পরাগায়ন সফল হলে তবেই ডিম্বাণু নিষিক্ত হয় এবং বীজ উৎপন্ন হয়। তাই সফল পরাগায়ন বংশবৃদ্ধির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা বাহক বা বায়ু-পানির সাহায্য ছাড়া অসম্ভব।
১৮. ফুল প্রধানত কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ৫টি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে: পুষ্পাক্ষ, বৃতি, দলমণ্ডল, পুংস্তবক এবং স্ত্রীস্তবক। প্রতিটি স্তবকের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও কাজ রয়েছে। বৃতি ফুলকে রক্ষা করে, দলমণ্ডল পরাগায়নে সাহায্য করে এবং পুং ও স্ত্রীস্তবক প্রজননে সক্রিয় অংশ নেয়। এই পাঁচটি স্তবকের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ সপুষ্পক ফুল গঠিত হয়।
১৯. বীজের বাইরে আবরণকে কী বলে? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) বীজত্বক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বীজের চারদিকের শক্ত ও মজবুত আবরণকে বীজত্বক বলে। এটি বীজকে বাইরের আঘাত, পোকা বা প্রতিকূল পরিবেশ থেকে রক্ষা করে। বীজত্বক সাধারণত দুটি স্তরে বিভক্ত, যা ভ্রূণকে সুরক্ষিত রাখে যতক্ষণ না অনুকূল পরিবেশ পায় এবং অঙ্কুরোদগমের জন্য প্রস্তুত হয়। এটি বীজের জন্য একটি রক্ষাকবচ।
২০. বীজের ভেতরের অংশকে কী বলে? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ভ্রূণ
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বীজের ভেতরেই ভ্রূণ অবস্থান করে, যা নতুন উদ্ভিদের প্রাথমিক রূপ। উপযুক্ত পরিবেশে বীজ যখন পানি ও অক্সিজেন পায়, তখন ভ্রূণ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেয়। ভ্রূণটি বীজত্বকের ভেতরে সুরক্ষিত থাকে এবং এটিই উদ্ভিদের বংশগতির সমস্ত তথ্য বহন করে, যা পরবর্তী প্রজন্মের উদ্ভিদে সঞ্চারিত হয়।
২১. অঙ্কুরোদগমের জন্য কী কী প্রয়োজন? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পানি, অক্সিজেন ও তাপমাত্রা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বীজ থেকে নতুন চারা তৈরির জন্য অঙ্কুরোদগম অপরিহার্য। এর জন্য পর্যাপ্ত পানি, অক্সিজেন ও নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রয়োজন। পানি বীজের বিপাকীয় কার্যক্রম শুরু করে, অক্সিজেন শ্বসনের জন্য জরুরি এবং তাপমাত্রা এনজাইমের কাজের জন্য সহায়ক। এই উপাদানগুলোর অভাবে বীজ সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং অঙ্কুরিত হতে পারে না।
২২. পরাগধানী কোথায় থাকে? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) পুংস্তবকে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পুংস্তবক বা এন্ড্রোসিয়ামের পরাগদণ্ডের মাথায় থলির মতো পরাগধানী থাকে। এই থলির ভেতরেই অসংখ্য পরাগরেণু উৎপন্ন হয়। পরাগধানী পরিপক্ক হলে ফেটে যায় এবং পরাগরেণুগুলো বাতাসের সাহায্যে বা পতঙ্গের মাধ্যমে গর্ভমুণ্ডে পৌঁছায়। পরাগধানী ছাড়া পরাগরেণু উৎপাদন ও পরাগায়ন সম্পন্ন হওয়া অসম্ভব।
২৩. গর্ভাশয় কোন স্তবকের অংশ? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) স্ত্রীস্তবক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: স্ত্রীস্তবক বা গাইনোসিয়ামের নিচের স্ফীত অংশটিই হলো গর্ভাশয়। এর ভেতর ডিম্বক থাকে যেখানে ডিম্বাণু উৎপন্ন হয়। নিষেক প্রক্রিয়ার পর এই গর্ভাশয়টি ফলে রূপান্তরিত হয় এবং এর ভেতরের ডিম্বকগুলো বীজে পরিণত হয়। সুতরাং ফল ও বীজ সৃষ্টির প্রধান স্থান হলো এই গর্ভাশয়।
২৪. প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন কোনটির মাধ্যমে হয়? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মূল, কাণ্ড ও পাতা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: অনেক উদ্ভিদ বীজ ছাড়াই মূল, কাণ্ড বা পাতার মাধ্যমে নতুন চারা তৈরি করে, যাকে প্রাকৃতিক অঙ্গজ প্রজনন বলে। যেমন মিষ্টি আলুর মূল, আদার কাণ্ড বা পাথরকুচির পাতা থেকে নতুন গাছ হয়। এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কোনো বাহকের ওপর নির্ভর করে না এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
২৫. কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজনন বা কলম কী? :
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মানুষের দ্বারা নতুন উদ্ভিদ তৈরি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মানুষ যখন কাণ্ড কেটে বা অন্যভাবে ডালপালা ব্যবহার করে নতুন গাছ তৈরি করে, তাকে কৃত্রিম অঙ্গজ প্রজনন বা কলম বলা হয়। এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি যার মাধ্যমে উন্নত জাতের ফল ও ফুল পাওয়া যায়। এই পদ্ধতিতে মাতৃগাছের বৈশিষ্ট্য হুবহু নতুন গাছে পাওয়া সম্ভব হয়।
এই অধ্যায়ের আরও পরীক্ষা দিতে চাও?
অনুচর্চা অ্যাপে সময় ধরে লাইভ পরীক্ষা দাও এবং লিডারবোর্ডে বন্ধুদের সাথে মেধার লড়াই করো!
Google Play থেকে "অনুচর্চা" ইনস্টল করুনশিক্ষকদের জন্য: ১ ক্লিকে প্রশ্ন তৈরি ও OMR সফটওয়্যার
বোর্ড প্রশ্ন দিয়ে নিমেষেই ২ কলাম A4 প্রশ্নপত্র প্রিন্ট করুন।