১. বাদশা বাবর কে ছিলেন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) মুঘল সম্রাট
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ছিলেন ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
২. ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি রচনাকালে কবি কোন দেশে ছিলেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ফ্রান্সে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে বসবাস করছিলেন, তখন স্বদেশের স্মৃতি কাতরতায় এই কবিতাটি রচনা করেন।
৩. ‘কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?’ — এ উক্তিতে কবির কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?<br>i. মমতা<br>ii. অনুরাগ<br>iii. ভ্রান্তি<br>নিচের কোনটি সঠিক?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) i ও ii
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: এই চরণে কপোতাক্ষ নদের প্রতি কবির গভীর মমতা ও ঐকান্তিক অনুরাগের প্রকাশ ঘটেছে। পৃথিবীর অনেক নদ-নদীর জল তিনি পান করলেও কপোতাক্ষের মতো পরম তৃপ্তি আর কোথাও পাননি।
৪. ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতার কোন বিষয়টি অনুচ্ছেদটিতে প্রকাশ পেয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) স্নেয়াদরের কাতরতা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উদ্দীপকের মায়ের হাতের খাবারের অভাববোধ যেমন স্নেহের কাতরতা প্রকাশ করে, তেমনি ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতায় কবিও বিদেশের অনেক নদ-নদী দেখার পরেও শৈশবের কপোতাক্ষের যে মাতৃস্নেহরূপ জল, তার জন্য কাতরতা প্রকাশ করেছেন।
৫. অনুচ্ছেদটির মূল বক্তব্য নিচের কোন চরণে ফুটে উঠেছে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: উদ্দীপকের বক্তা যেমন শত আধুনিক খাবারের মাঝে মায়ের হাতের পিঠার তৃপ্তি খুঁজছেন, তেমনি কবিও অনেক নদীর জল পান করেও কপোতাক্ষের জলের স্নেহের তৃষ্ণা অন্য কোথাও মেটাতে পারছেন না।
৬. ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটির রচয়িতা কে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতাটি রচনা করেছেন।
৭. মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মতারিখ কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ২৫শে জানুয়ারি ১৮২৪
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবি ১৮২৪ সালের ২৫শে জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।
৮. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) যশোর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: তিনি বর্তমান বাংলাদেশের যশোর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
৯. মাইকেল মধুসূদন দত্তের গ্রামের নাম কী?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) সাগরদাঁড়ি
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে কবির জন্ম।
১০. স্কুলজীবন শেষে মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোথায় ভর্তি হন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) হিন্দু কলেজে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৮৩৩ সালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত হিন্দু কলেজে ভর্তি হন।
১১. হিন্দু কলেজে অধ্যয়নকালে কোন বিষয়ের প্রতি মাইকেল মধুসূদন দত্তের তীব্র আবেগ জন্ম নেয়?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) ইংরেজি সাহিত্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কলেজে পড়ার সময় থেকেই তিনি ইংরেজি সাহিত্যের প্রতি বিশেষভাবে অনুরাগী হয়ে ওঠেন।
১২. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) ১৮৪২
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৮৪২ সালে তিনি পৈতৃক ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।
১৩. কখন মধুসূদন দত্তের নামের আগে ‘মাইকেল’ যুক্ত হয়?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) খ্রিস্ট ধর্ম গ্রহণের পর
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করার সময় তাঁর নামের আগে ‘মাইকেল’ শব্দটি যুক্ত হয়।
১৪. পাশ্চাত্য জীবনযাপনের প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা মাইকেল মধুসূদন দত্তকে কোন ভাষায় সাহিত্য রচনায় উদ্বুদ্ধ করে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) ইংরেজি ভাষায়
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: পাশ্চাত্য সংস্কৃতির মোহে তিনি শুরুতে ইংরেজি ভাষাতেই সাহিত্যিক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন।
১৫. কোন ভাষায় কাব্য রচনার মধ্য দিয়ে মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রতিভার যথার্থ বিকাশ ঘটে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) বাংলা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বিদেশের মাটিতে ইংরেজি ভাষায় ব্যর্থ হওয়ার পর বাংলা ভাষায় সাহিত্য চর্চা শুরু করেই তিনি অমরত্ব লাভ করেন।
১৬. কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) মেঘনাদবধ কাব্য
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ তাঁর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
১৭. ‘কৃষ্ণকুমারী’ মাইকেল মধুসূদন দত্তের কী ধরনের রচনা?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) নাটক
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘কৃষ্ণকুমারী’ মধুসূদন দত্তের একটি ঐতিহাসিক নাটক।
১৮. মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক কোনটি?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) পদ্মাবতী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘পদ্মাবতী’, ‘শর্মিষ্ঠা’ ইত্যাদি কবির রচিত সফল নাটক।
১৯. কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা প্রহসন?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) একেই কি বলে সভ্যতা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ ও ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ’ কবির দুটি সমাজসচেতন প্রহসন।
২০. বাংলা কাব্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মধুসূদন দত্তই বাংলা কবিতায় প্রথম প্রথাগত অন্ত্যমিল ভেঙে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেন।
২১. বাংলা কাব্যে ‘সনেট’ প্রবর্তন করেন কে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ইউরোপীয় সনেটের আদর্শে বাংলা ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ প্রবর্তন করেন।
২২. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন?
✓ সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: ১৮৭৩ সালের ২৯শে জুন কবির জীবনাবসান ঘটে।
২৩. মাইকেল মধুসূদন দত্তের সর্বদা কার কথা মনে পড়ে?
✓ সঠিক উত্তর: (খ) কপোতাক্ষ নদের কথা
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: প্রবাস জীবনে কবি সব সময় তাঁর শৈশব ও কৈশোরের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদকে স্মরণ করেন।
২৪. মাইকেল মধুসূদন দত্ত সর্বদা কিসের কলকল ধ্বনি শুনতে পান?
✓ সঠিক উত্তর: (ক) স্বদেশের নদের স্রোতধারার
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: সুদূর ফ্রান্সে বসেও কবি যেন কপোতাক্ষ নদের কুলকুল শব্দ শুনতে পান।
২৫. ‘কপোতাক্ষ নদ’ কবিতায় কপোতাক্ষকে কী বলা হয়েছে?
✓ সঠিক উত্তর: (গ) দুগ্ধ স্রোতরূপী
পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা: কবি কপোতাক্ষ নদের জলকে মায়ের বুকের দুধের সঙ্গে তুলনা করেছেন।